ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, শিক্ষককে রড দিয়ে পেটাল কিশোর গ্যাং

title
এক মাস আগে
ছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় সোনারগাঁ জি আরইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মশিউর রহমানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় স্বপ্নদ্বীপ শপিং মলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত মশিউর রহমানকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মশিউর রহমান দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি। বিজ্ঞাপন এ ঘটনায় রাতে তার ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা যায়, জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ ওসমানী স্টেডিয়ামে সোনারগাঁ জি আরইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীরা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বাড়ি ফেরার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা স্বপ্নদ্বীপ শপিংমলের সামনে তাদের বহন করা অটোরিকশা যানজটে আটকে থাকে। এ সময় চারটি মোটরসাইকেলযোগে সাত-আটজন বখাটে উল্টো পথে এসে অটোরিকশার গতিরোধ করে এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিতে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করতে থাকে। একপর্যায়ে ছাত্রীদের সঙ্গে থাকা শিক্ষক মশিউর রহমান বখাটেদের এমন আচরণের প্রতিবাদ করেন। এ কারণে তাকে টেনেহিঁচড়ে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। জীবন বাঁচাতে এবং ছাত্রীদের রক্ষা করতে তিনি পার্শ্ববর্তী মার্কেটে আশ্রয় নিলে তাকে সেখানেওঅবরুদ্ধ করে রাখে তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। মশিউর রহমান বলেন, কয়েকজন অচেনা যুবক চারটি মোটরসাইকেলযোগে এসে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করছিল। তাদের বাধা দেওয়ায় তাকে পিটিয়ে আহত করে। পরে ওই কিশোর গ্যাংয়ের নেতা লিটুর ছেলে অন্তু বলে জানতে পারি। এ ব্যাপারে সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার ছোট ভাই বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযানে নেমেছে।