নড়াইলে শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় আসামি রনি গ্রেপ্তার

title
এক মাস আগে
নড়াইলে কলেজ অধ্যক্ষকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিতের ঘটনায় অন্যতম হোতা রহমতউল্লাহ রনিকে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করেছে নড়াইলের পুলিশ। এ নিয়ে এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। বুধবার (২৯ জুন) রাতে খুলনার ছোটবয়রা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানায় পুলিশ। রনি খুলানার বি এল কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র। বিজ্ঞাপন সে সদরের রুখালী গ্রামের জাবের বিশ্বাসের ছেলে। গত ১৮ জুন মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজে সহিংসতা এবং কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে গলায় জুতারমালা দেওয়াসহ শিক্ষকদের তিনটি মোটরসাইকেল পোড়ানো এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় এসআই মুরসালিন বাদি হয়ে সোমবার দুপুরে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৭০/১৮০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। সোমবার রাতে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার আদালতে ৩ আসামির ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়, আদালত আগামী ৩ জুলাই রিমান্ড শুনানি করবেন। নড়াইলের বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনার নিন্দা জানাতে সভা হয়েছে। সভা করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। নড়াইল পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরাকে সভাপতি আর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অ্যাড. নজরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয়েছে সম্প্রীতি মঞ্চ। পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় জানান, মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের ধরতে পুলিশ ঘটনার দিনের ভিডিও ফুটেজের আশ্রয় নিয়েছে। তাতে রহমত উল্লাহ রনিকে শিক্ষকের জুতার মালা পরানোর ঘটনার অন্যতম হোতা। গত ১৮ জুন সদরের মির্জাপুর কলেজে রাহুল দেব নামের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রের নুপুর দেবকে সমর্থন করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তৈরি হয়। শিক্ষকদের ৩টি মোটরসাইকেল পোড়ানো হয়। অভিযুক্ত ছাত্রকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ভূমিকা নেওয়ার কারণে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে সহ অভিযুক্ত ছাত্রকে জুতার মালা পরিয়ে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে।