ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে তরুণীর লাশ, পুলিশ বলছে আত্মহত্যা

title
৪ মাস আগে
রংপুরে থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার থেকে রুহি (১৯) নামে এক তরুণীর গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রুহি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পুলিশের। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড মিডিয়া) সাজ্জাদ হোসেন। এর আগে, গতকাল রবিবার দুপুরে মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের ভেতর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিজ্ঞাপন রুহি ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুণ্ডুথানার হরিয়ারঘাট গ্রামের সেকেন্দার আলীর মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুহির সঙ্গে রংপুর নগরীর বাহারকাছনা রাম গোবিন্দমোড় এলাকার আকাশ নামের এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বছরের মার্চ মাসে ঝিনাইদহ থেকে আকাশের সঙ্গে দেখা করতে রংপুরে আসেন রুহি। এ সময় রাতে একা ঘোরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ ফোন দিলে সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাঁকে তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শনিবার আবারওরুহি আকাশের সঙ্গে দেখা করতে ঝিনাইদহ থেকে রংপুরে আসেন। এ সময় আকাশের মুঠোফোন বন্ধ পেয়ে ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে থাকেন রুহি। বিষয়টি নজরে এলে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ৯৯৯-এ কল করেস্থানীয়রা। পরে হারাগাছ থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে থাকা অবস্থায় রবিবার দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে রুহি আত্মহত্যা করেন বলে দাবি পুলিশের। পরে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সেখানে রুহির মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রশিদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে রুহি আত্মহত্যা করেছেন দাবি করে মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি অ্যান্ড মিডিয়া) মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রুহি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রুহির স্বজনরা এলে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।