পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীকে অনৈতিক সহায়তা, যবিপ্রবি কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

title
এক মাস আগে
চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে মুঠোফোনে অর্থ দাবির অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রেজিস্ট্রার দপ্তরের জনসংযোগ শাখার উপপরিচালক মো. হায়াতুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত সোমবার যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের অনুমতিক্রমে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। অফিস আদেশে জানানো হয়, অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের জনসংযোগ শাখার উপপরিচালক মো. হায়াতুজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়োগসংক্রান্ত কাজে অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাধারণ আচরণ, শৃঙ্খলা ও আপিল সংক্রান্ত বিধি মোতাবেক তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। বিজ্ঞাপন তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটিতে আছেন আহ্বায়ক জিন প্রকৌশল ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নাজমুল হাসান, সদস্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. এ এস এম মুজাহিদুল হক, সদস্যসচিব পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আমিনুল হক। তদন্ত কমিটিকে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চাকরির পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার নিয়ম হলো, পরীক্ষার্থীরা যদি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় তাহলে তাদেরকে ব্যাবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। ব্যাবহারিক পরীক্ষার সময় চাকরিপ্রার্থীদের মুঠোফোন বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু হঠাৎ একজন প্রার্থীকে মুঠোফোনে কথা বলতে দেখেন এক পরীক্ষা পরিদর্শক। তিনি তাৎক্ষণিক ফোনটি নিয়ে নম্বর চেক করে দেখেন ফোনের অপর প্রান্তে রয়েছেন যবিপ্রবির জনসংযোগ শাখার উপপরিচালক হায়াতুজ্জামান মুকুল। পরীক্ষা পরিদর্শকরাপ্রার্থীর মুঠোফোনের কল রেকর্ডটি উদ্ধার করেন। তৎক্ষণাৎ ওই প্রার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়। মুঠোফোনের রেকর্ডিং ও প্রার্থীকেজিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে বোঝা যায়, এখানে প্রার্থীর সঙ্গে কর্মকর্তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।