রাস্তা তো নয়, যেন আউশের ক্ষেত!

title
৪ দিন আগে
বর্ষার শুরুতে রাস্তাটি যেন আউশ ধানের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বরগুনার বেতাগী সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ঝোপখালী সেতু থেকে উত্তর বেতাগী ২৩ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তার এই বেহাল দশা। এতে বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগ পোহাতেহচ্ছে উত্তর বেতাগী ও ঝোপখালী গ্রামের ৫ হাজার মানুষের। জানা গেছে, বেতাগী সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী সেতু থেকে উত্তর বেতাগীর২৩ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ৫শ মিটার কাঁচা রাস্তা বর্ষার সময় বেশ কয়েক জায়গায় হাঁটু সমান কাদায় ডুবে গেছে। বিজ্ঞাপন পূর্ণিমা ও অমাবশ্যার সময় পানির চাপে রাস্তার এখানে সেখানে ভেঙেগেছে। এছাড়া জোয়ারের পানি উত্তর বেতাগীর বাড়িঘরেওউঠে গেছে। পানির নিচে থাকে উঠোনের শাক-সবজি-ফসল। বর্ষায় পানি জমে রা্স্তাকর্দমাক্ত হয়ে ওঠে। রাস্তার দিকে তাকালে মনে হবে যেন এটা কৃষকের কাদায় পূর্ণ আউশ ধানের ক্ষেত। এ রাস্তা দিয়ে ৩টি গ্রামের ৫ হাজার লোকের যাতায়াত। ঝোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক মো. জহিরুল হক বলেন, বর্ষায় অনেক কষ্ট করে কোমলমতি শিশুরা বিদ্যালয়ে আসে। এ সময়টা সকলের কষ্ট করে বিদ্যালয় আসতে হয়। ঝোপখালী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলামের ছেলে সোহেল আমিন বলেন, জনপ্রতিনিধিদের উদাসীনতার কারণে মাত্র ৫০০ মিটার রাস্তা পাকা হচ্ছে না। এটা করলে জনসাধারণের আর দুর্ভোগ থাকে না। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিলন তালুকদার বলেন, এ রাস্তা সংস্কারে চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে। বেতাগী সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির খলিফা বলেন, গেলোঅর্থবছরে এ ধরনের বরাদ্দ ছিল না। তবে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ হলে রাস্তা সংস্কার করা হবে।