‘অথচ আমরা জোকারে পরিণত হচ্ছি’

title
৪ মাস আগে
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এফডিসিতে এখন গরম হাওয়া বইছে। নির্বাচনী প্রচারণায় অভিনব সব কৌশল ব্যবহার করছেন দুই প্যানেলের প্রার্থীরা। একে অপরকে নিয়ে মন্তব্য করছেন, ব্যক্তি আক্রমণও করছেন কেউ কেউ। এসব একেবারেই পছন্দ করছেন না আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী আনোয়ারা। বিজ্ঞাপন রবিবার দুপুরে রাজধানীর পান্থপথের একটি কমিউনিটি সেন্টারে মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন। আনোয়ারা বলেন, দর্শক আমাদের ভালোবাসবে, সম্মান করবে, শ্রদ্ধা করবে। আমাদের সেভাবেই চলা উচিত। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়, আমরা দিনে দিনে জোকারে পরিণত হচ্ছি। যা একেবারে কাম্য নয়। পুরো নাম আনোয়ারা জামাল। ১৯৬১ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে বালা চলচ্চিত্রে প্রথমবার নায়িকা হন। এবারের নির্বাচনউপলক্ষেশিল্পীদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তিনি ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, জুনিয়র শিল্পীরা নোট দিয়ে ভোট কেনার দিন শেষ শিরোনামের গানের সঙ্গে নাচানাচি করেছে, বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে টাকার কথা আসবে কেন? আর আমার এত বছরের অভিনয়জীবনে এসব দেখিনি যে টাকা দিয়ে ভোট কেনা যায়। গুণী এই অভিনেত্রী আরো বলেন, নাম বলতে পারবনা, একজন বলেছেন, শিল্পীদের মধ্যে আবার সিনিয়র-জুনিয়র কিসের? যাদের ভেতরে এসব ধারণা পোক্ত হয়ে গেছে, তাদের কাছে আমরা কিভাবে সম্মান আশা করব? প্রশ্নই ওঠে না। আরেকজন বলেছেন, শিল্পী সমিতির উন্নয়ন চাই না, চাই কাজ। আরে বাবা, শিল্পী সমিতির উন্নয়ন না হলে কাজ হবে কোথা থেকে? আমাদের দুটোরই প্রয়োজন আছে। মিশা-জায়েদের কমিটির অতীত কর্মকাণ্ডের প্রশংসাও করেন তিনি। বলেন, করোনার কঠিন সময় মিশা-জায়েদ শিল্পীদের জন্য যথেষ্ট কাজ করেছে। অনেক বড় বড় নায়ক আছেন, কোথায় তাঁরা? খোঁজ তো নেয়নি। শিল্পী সমিতির কমিটিতে যাঁরা ছিলেন তাঁরাই খোঁজ নিয়েছেন। যা-ই হোক, নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবে। দুই প্যানেলের জন্য শুভ কামনা রইল। উল্লেখ্য, এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জানুয়ারি। মিশা-জায়েদ ও ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।