‘রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম’

title
এক মাস আগে
ফজলি আমের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বত্ব রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জউভয় জেলারই। এখন থেকে এই আম পরিচিত হবে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম হিসেবে। পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত সচিব) জনেন্দ্রনাথ সরকার গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জিআই নিয়ে এই সিদ্ধান্ত জানান। এর আগে রাজধানীতে পেটেন্ট অধিদপ্তরে বিষয়টি নিয়ে শুনানি হয়। বিজ্ঞাপন রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলীম উদ্দিন। তিনি জানান, শুনানিতে রাজশাহীর পক্ষে তিনিসহ তিনজন ছিলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশনের ছিলেন ছয়জন। শুনানিতে দুই পক্ষই নিজেদের পক্ষে দালিলিক প্রমাণপত্র উপস্থাপন করে। পরে অধিদপ্তর তার সিদ্ধান্ত জানায়। আলীম উদ্দিন বলেন, রাজশাহী বিভাগের নাম বলে জিআইয়ে রাজশাহী শব্দটি আগে থাকবে। এরপর একটি হাইফেন দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাম থাকবে। এটি রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম হিসেবে জিআই পাবে। গত বছরের ৬ অক্টোবর ফজলি আমকে রাজশাহীর জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে জার্নাল প্রকাশ করে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর। এতে আপত্তি জানায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি অ্যাসোসিয়েশন। এই আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল শুনানি ও রায় হয়। আগামী রবিবার এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হবে। কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়া, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা এবং সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই এলাকার জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। জিআই সনদ পেলে বিদেশের বাজারে সেই পণ্যের দাম ভালো পাওয়া যায়। জিআই ট্যাগ ব্র্যান্ডিং হিসেবে কাজ করে। জিআই না থাকলে ক্রেতারা সেটিকে ব্র্যান্ডেড বলে মনে করে না।