৯ আসনের উপনির্বাচনে লড়বেন ইমরান খান

title
৯ দিন আগে
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ৯টি আসনের উপনির্বাচনে একাই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অনাস্থা ভোটে ইমরান খান পরাজিত হওয়ায় গত এপ্রিলে পিটিআইয়ের শতাধিক ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সদস্য (এমএনএ) পদত্যাগ করেন। সম্প্রতি তাঁদের মধ্যে ১১ জনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন স্পিকার। ৯ জন সাধারণ আসনের এবং বাকি দুজন সংরক্ষিত আসনের সদস্য। বিজ্ঞাপন সেই ৯টি সাধারণ আসনেই লড়াই করতে যাচ্ছেন ইমরান খান। ৯টি আসনের উপনির্বাচনে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ হবে। এ ছাড়া সংরক্ষিত আসনের দুজন এমএনএ পদত্যাগ করায় খালি আসনের জন্য পিটিআইয়ের কাছে নাম চেয়েছে ইসিপি। আগামী ১০ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সংরক্ষিত দুটি আসনের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। নিষিদ্ধ অর্থ লেনদেন তদন্তে কমিটি পিটিআইয়ের বিদেশি দাতা থেকে পাওয়া কথিত নিষিদ্ধ অর্থ কিভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তা তদন্ত করতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফআইএ)। তদন্তদলটি ইসলামাবাদ, করাচি, পেশোয়ার, লাহোর ও কোয়েটায় অনুসন্ধান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে। কয়েকটি বিদেশি দাতা সংস্থার কাছ থেকে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নিষিদ্ধ অর্থ গ্রহণ করেছে বলে সম্প্রতি রায় দিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। পিটিআই নিষিদ্ধ অর্থ গ্রহণ করেছে, এ অভিযোগ তুলে এফআইএয়ের কাছে আবেদন করেছিলেন আকবর এস বাবর নামের এক ব্যক্তি। বাবর আবেদনে লিখেছিলেন, ২০১১ সালে পাকিস্তান ও বিদেশ থেকে পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় দপ্তরের চার কর্মীর অ্যাকাউন্টে তহবিল আনতে অবৈধভাবে অনুমোদন দেয় দলটি। নির্বাচন কমিশনের রায় এবং এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ১৩টি অঘোষিত হিসাব থেকে কিভাবে অর্থ লেনদেন হয়েছে, তা তদন্ত করছে এফআইএ। সেসব হিসাবধারীকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তবে পিটিআইয়ের অভিযুক্ত কর্মীরা বলেছেন, কিভাবে দল তাঁদের ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করেছে, তা তাঁরা জানেন না। ওই চার কর্মী এফআইএর পাঠানো নোটিশকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁরা এই নোটিশ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। সূত্র: জিও নিউজ