বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রিক্তা হত্যা মামলায় স্বামী রিমান্ডে

title
১১ দিন আগে
এ আদেশ দিয়েছেন গতকাল বুধবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এর বিচারক ফয়সাল তারেক৷ নগরের মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দীপ্ত কুমার সিং প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তাঁরা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪-এ অভিযুক্ত ব্যক্তির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন৷ আজ থেকে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া হবে৷ আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রিক্তা আক্তারের লাশ গত শুক্রবার রাতে রাজশাহী নগরের ধরমপুর পূর্বপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়৷ রিক্তা কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জোতপাড়া গ্রামের মেয়ে৷ তার স্বামী আবদুল্লাহ ইসতিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র৷ তিনি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে৷ আড়াই বছর আগে আবদুল্লাহ ইসতিয়াক ও রিক্তার বিয়ে হয়৷ তারা নগরের ধরমপুর পূর্বপাড়া এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন৷ এ ঘটনায় রিক্তার বাবা লিয়াকত জোয়ারদার একটি হত্যা মামলা করায় আবদুল্লাহ ইসতিয়াক গ্রেপ্তার হয়৷ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে থেকে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে৷ বিষয়টি উভয় পরিবারে জানাজানি হলে ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারলে বিয়ে হবে৷ দুজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর তাঁদের বিয়ে হয়৷ তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন রিক্তাকে মেনে নেয়নি৷ এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে রিক্তা আক্তারের বাবা লিয়াকত জোয়ার্দার এজাহারে উল্লেখ করেছেন৷ ইসতিয়াক মাঝেমধ্যে ছোটখাটো ঘটনা নিয়ে রিক্তার সঙ্গে ঝগড়াবিবাদ ও মারপিট করতেন বলে তাঁর অভিযোগ৷ মোবাইলে বাবার বাড়িতে যোগাযোগ করতে দিতেন না৷ গত শুক্রবার একটি কক্ষে তার মেয়েকে শ্বাসরোধে মেরে জানালার গ্রিলে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়৷ রিক্তা গলায় ফাঁস দিয়েছেন বলে পরে ইসতিয়াক ফোন করে তাদের জানিয়েছেন৷ এনএস/কেএম (প্রথম আলো)