আলোচনা নয়, নির্বাচনের পক্ষে আল-সদর

title
১২ দিন আগে
ইরাকের ক্ষমতাশালী শিয়া ধর্মীয় নেতা মোকতাদা আল-সদর তার মত স্পষ্ট করে দিলেন। তিনি নির্বাচন চান। গত সপ্তাহান্ত থেকে আল-সদরের হাজার হাজার সমর্থক ইরাকের পার্লামেন্ট-ভবন দখল করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। তারা ইরানপন্থি দলগুলিকে বাদ দিয়ে পরবর্তী সরকার গঠনের দাবি করেছে। বুধবার মধ্য ইরাকের পবিত্র শহর নজফ থেকে আল-সদর জানিয়েছেন, পার্লামেন্ট-ভবনে বিক্ষোভ চলতে থাকবে। তার দাবি আবার নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। কেন এই অচলাবস্থা? ইরাকের সংবিধান অনুসারে, পার্লামেন্টে ভোটাভুটি করতে হবে। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ যদি পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার পক্ষে মত দেয়, তখনই তা ভেঙে দিয়ে আবার নির্বাচন করা যায়। প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট একমত হলে বা এক তৃতীয়াংশ সদস্য চাইলে এই ভোটাভুটি হতে পারে। ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো শিয়া নেতার সমর্থনে বিক্ষোভ ইরাকের শিয়া নেতা মুক্তাদা আল-সদরের প্রতিপক্ষকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার বিরোধিতা করে তার সমর্থকরা প্রতিবাদ করছেন৷ পতাকা হাতে পাঁচিল টপকাতে দেখা গেছে আল-সদরের সমর্থকদের৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো ছবি নিয়ে বিক্ষোভ প্রিয় নেতার পোস্টার হাতে পার্লামেন্ট ভবনে ঢুকে বিক্ষোভে ফুঁসছেন সমর্থকরা৷ বিক্ষোভকারীদের একটাই দাবি, প্রধানমন্ত্রী করতে হবে আল সদরকে৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো দেয়াল ভেঙে ফেলা লোহার শিকল বেঁধে ভেঙে ফেলা হচ্ছে পাঁচিল৷ সংসদ ভবনের কাছে এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে৷ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ (৭৩টি আসন) হলেও আল সদর ব্লককে সরকার গড়তে দেয়া হয়নি৷ আলোচনা চলছিল, কিন্তু আচমকাই আল সদর আলোচনা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিয়েছে৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো সংসদে জনস্রোত পতাকা হাতে সারি সারি মানুষ প্রতিবাদ করছেন পার্লামেন্ট ভবনের ভিতরে ঢুকে৷ রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে সদরের জোট ক্ষমতায় আসতে পারেনি৷ শত শত বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বলয় ভেঙে পার্লামেন্ট ভবনে ঢুকে তারই প্রতিবাদ করছেন৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো বিক্ষোভেও সেলফি প্রতিবাদ চলছে, বিক্ষোভ চলছে৷ কেউ অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছেন৷ তারই মাঝে সেলফি তুলতেও দেখা গেছে এক বিক্ষোভকারীকে৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো কলম্বোর আঁচ কলম্বোয় প্রধানমন্ত্রীর ভবন দখলের ধাঁচে ইরাকের সংসদ ভবনের দখল নিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা৷ বাগদাদের তাহরির স্কোয়ার থেকে সংসদ ভবনের অন্দরে বিক্ষোভকারীদের একটাই কথা- মোহাম্মদ আল সুদানিকে কিছুতেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মানবেন না তারা, প্রধানমন্ত্রী করতে হবে শিয়া নেতা আল সদরকে৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো গ্রিন জোন দখলে সংসদ ভবনের বাইরের গ্রিন জোনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন৷ রয়েছে একাধিক দূতাবাস, সেনা সদরও৷ বিক্ষোভকারীরা সেখানেও ঘুরে বেড়াচ্ছেন৷ পাশাপাশি, পার্লামেন্টভবন জুড়ে আল সদরের ছবি নিয়ে নিজেদের সমর্থনের কথা জানাচ্ছেন৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো চলছে নাচ-গান শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের মতো ইরাকের পার্লামেন্ট ভবনেও চলছে নাচ, গান, হুল্লোড়৷ উৎসবের মেজাজে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন বিক্ষোভকারীদের একাংশ৷ তরুণদের ভিড়ে এক বৃদ্ধ প্রতিবাদীও রয়েছেন পার্লামেন্ট ভবনে৷ ইরাকের সংসদ ভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে যাওয়ার মুহূর্তগুলো দখলে সেতু গ্রিন জোনের অন্তর্গত একটি সেতুজুড়ে আল সদরের সমর্থকদের ঢল নেমেছে৷ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ তারপরও বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি৷ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল কাদিমি বিক্ষোভকারীদের পার্লামেন্ট ভবন ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন৷ ইরানপন্থিরা সাবেক মন্ত্রী আল-সুদানিকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মনোনীত করায় আল-সদরের সমর্থকেরা রেগে গেছেন। গত অক্টোবরে নির্বাচনের পর আল-সদরের দল সবচেয়ে বড় দল হলেও সরকার গঠনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কিন্তু অচলাবস্থা কাটানোর জন্য আল-সদরের ৭৩ জন পার্লামেন্ট সদস্যইস্তফা দেন। এর ফলে ইরানপন্থিরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায়। আল-সদর বলেছেন, তিনি নিশ্চিত যে, ইরাকের মানুষ বর্তমান শাসকদের পুরোপুরি খারিজ করবে। তারা তার আন্দোলনে যোগ দেবে। আলোচনা নয় আল সদর জানিয়েছেন, তিনি আলোচনা চান না। কারণ, অতীতে এই আলোচনা থেকে কিছুই বেরিয়ে আসেনি। জাতিসংঘ অবশ্য ইরাকের নেতৃত্বের কাছে অনুরোধ করেছে, তারা যেন বিরোধ ভুলে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করেন। জাতিসংঘের মতে, ইরাকি দলগুলির আলোচনায় বসা দরকার। জিএইচ/এসজি (এএফপি, এপি)