এরকম চরিত্র বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা কঠিন -ফেরেদৗস

title
এক মাস আগে
মাজহারুল তামিম বিনোদন ২৯ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৪৮ পূর্বাহ্ন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস আহমেদ। সিনেমার শুটিং চলাকালে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি ভারত ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিলেন। সেই জটিলতা কেটেছে কিছুদিন আগে। পেয়েছেন ভারতের ভিসা। ভিসা পাওয়ার পর কোনো কাজের প্রস্তাব পেয়েছেন কি? ফেরদৌস বলেন, হ্যাঁ, পেয়েছি বেশ কিছু প্রস্তাব। কি কি প্রস্তাব পেলেন? এ নায়ক বলেন, অনেকেই ফোন করেছেন। এরমধ্যে শো করার প্রস্তাব বেশি পেয়েছি। অভিনয়ের প্রস্তাবও এসেছে। ইতোমধ্যে ভারতের ওটিটি মাধ্যমে কাজের কথাবার্তা চলছে। দেখা যাক কী হয়। চুক্তিবদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত জানানো ঠিক হবে না। এদিকে শুদ্ধমান চৈতনের পরিচালনায় গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে দামপাড়া শিরোনামে একটি সিনেমার শুটিং করছেন ফেরদৌস। যেটি একাত্তরে চট্টগ্রামের দামপাড়ায় পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে এসপি শামসুল হকসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের গল্পে নির্মিত হচ্ছে। কেমন চলছে কাজ? এই নায়কের উত্তর- এখন পর্যন্ত খুব সুন্দরভাবে শুটিং এগোচ্ছে। এসপি শামসুল হকের চরিত্রে আপনি অভিনয় করছেন। শুটিংয়ে আগে কী কী প্রস্তুতি নিতে হয়েছে? ফেরদৌস বলেন, 'দামপাড়া'র গল্পটা চট্টগ্রামের সবাই জানে। গতকালকেই আমাকে একজন বললো, এইটা তো আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি; এরকম একজন এসপির ঘটনা আছে। এরকম চরিত্র বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করাটা কঠিন। প্রথমত সিনেমাটির মাঝে অন্য কোনো কাজ রাখিনি। পুরোপুরি মনোযোগ সহকারে এই কাজটিই করছি। আর শুটিং শুরুর আগে এসপি শামসুল হক সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছি। ওনার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি। যেহেতু মানুষটি নেই। ওতো বেশি ভিডিও বা ডকুমেন্ট পাইনি। শুনে শুনে ধারণা নেয়ার চেষ্টা করেছি। আফজাল হোসেনের পরিচালনায় 'মানিকের লাল কাঁকড়া' সিনেমায় অভিনয় করছেন। সেই কাজ কোন পর্যায়ে? এ নায়ক বলেন, তিন দিনের মতো শুটিং বাকি আছে। দামপাড়ার শুটিং শেষে 'মানিকের লাল কাঁকড়া'র শুটিং করবো। এমনই পরিকল্পনা। একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। চলচ্চিত্রের অবস্থা কেমন মনে হচ্ছে এখন? ফেরদৌস বলেন, করোনার ধাক্কা সামলে আবার আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছি। ভালো লাগছে যে সব শিল্পীরা আবার ব্যস্ত হয়ে উঠছেন। টেকনিশিয়ানরা ব্যস্ত হয়েছেন। আগে অনেকে সাহায্য সহযোগিতার জন্য ফোন দিত। এখন ডেট নিয়ে কথা বলে। এটা খুব ইতিবাচক ব্যাপার।