দ্রুতগতির চার্জ হওয়া ব্যাটারিই পছন্দের শীর্ষে

title
এক মাস আগে
টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: খুব দ্রুত চার্জ হলে কি ব্যাটারির সক্ষমতা কমে যায়? ব্যবহারকারীরা কতটুকো চার্জ রেট পছন্দ করে। এ দুটি প্রশ্নের ওপর জরিপ করে দেখা গিয়েছে বর্তমানে ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করাটাই সবাই পছন্দ করছে; আর ধীর গতিতে চার্জ দেয়া এখন ফ্যাশনের বাইরে চলে যাচ্ছে। কয়েকবছর আগেও ধীরগতিতে চার্জ দেয়াটাই সবার পছন্দ ছিলো। কিন্তু বর্তমানে এই হার ২৫ শতাংশ থেকে কমে ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। চার্জের স্পিড ভালো নিয়ন্ত্রন করতে পারে অ্যান্ড্রয়েড ফোন। অন-স্ক্রিন নিয়ন্ত্রন ছাড়াই শুধুমাত্র ৫ওয়াট/১০ ওয়াট চার্জার রাখলেই হলো। বেশিরভাগ ভোটার একটি ফোন ২৫ থেকে ৩৩ ওয়াট চার্জ নেয় এমন ফোনের পক্ষে মত দিয়েছেন। এই চার্জারে খুব দ্রæত চার্জ হয়। অন্যদিকে ১০০+ ওয়াট চার্জ সাপোর্ট করে এমন ফোনগুলি জনপ্রিয়তার দ্বিতীয় সারিতে অবস্থান করছে। অন্যদিকে ৫০-৬৭ ওয়াট চার্জ নেয় এমন ডিভাইসগুলি পছন্দের তৃতীয় সারিতে রয়েছে। ডিভাইস চার্জ করাও একটি কাজের মধ্যে পড়ে এবং এ কারনেই সবাই দ্রæত চার্জের কাজটি শেষ করে ফেলতে চায়। খুব দ্রুত চার্জ হলে কি ব্যাটারির ক্ষতি হয়? ম্যানুফ্যাকচারররা বলছেন ততটা নয়। তাদের মতে কয়েকশতবার চার্জ হওয়ার পরেও ব্যটারিগুলো তাদের সক্ষমতার ৮০ শতাংশ ধরে রাখে। অনেকে ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যানডার্ড অনুযায়ি ৮০০ সাইকেল পর্যন্ত চার্জ হওয়ার পরও ব্যাটারির সক্ষমতা থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অনেকে আবার এর দ্বিগুন অর্থাৎ ১ হাজার ৬০০ সাইকেল চার্জের কথা বলেছেন। আরেকটি বিষয় উল্লেখযোগ্য সুপার ফাস্ট চার্জের সক্ষমতা রয়েছে এমন অনেক ফোনকেই গেমিং ফোন হিসেবে বাজারজাত করা হয়। তবে আসল বিষয়টি হচ্ছে যে দুই বছর পুরনো মোবাইল জিপিইউ স্বাভাবিকভাবেই নতুন মডেলের তুলনায় কম সক্ষমতাসম্পন্ন হবে। ফলে ব্যাটারিটি যদি সদ্যই কারখানা থেকে বের হয়ে আসা হলেও ডিভাইসটি আর যাই হোক না কেন গেমিং ফোন হবে না। তবে ফেলে দেয়া ব্যাটারিগুলোর তৈরি করা ই-বর্জ্য নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ রয়েছে। বর্তমান যুগে একটি নষ্ট ব্যাটারির ফোন আর কেউ মেরামত করতে চায় না। সব ভোক্তা ইলেক্ট্রনিকস কোম্পানি ‘মৌলিক ও সহজে পাওয়া যায় এমন টুলস’সহ ব্যবহারকারী নিজেই প্রতিস্থাপন করতে পারবে এমন ব্যাটারি তৈরিতে আইন তৈরি করতে যাচ্ছে ইইউ। এছাড়াও ফোনগুলোয় ব্যাটারি কতোদিন পর্যন্ত সমর্থন করবে সে বিষয়েও শর্ত নির্ধারনে কাজ করার কথা ভাবছে ইইউ। ধারণা করা হচ্ছে সাত বছর পর্যন্ত আপডেট এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পাওয়ার বিষয়ে শর্ত দিতে পারে তারা। মূলত ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বাড়াতেই এ পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে। এখন ম্যানুফ্যাকচারারা কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায় তা এখন দেখার বিষয়। ইন্টারনেট/আরএপি