বিকল্প জ্বালানী হাইড্রোজেনে সয়েল ফুয়েলের সুবিধা কি

title
এক মাস আগে
টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: ইলেক্ট্রিক গাড়িগুলো ক্রমে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশ্ব থেকে কার্বন-নিঃসরন কমানোর লক্ষ্য পূরণেও এ ধরনের যানবাহন বেশ সহায়ক। এ পরিস্থিতির মধ্যে হাইড্রোজেন জ্বালানীর বিষয়ে কিছু বিভ্রান্তি রয়ে গিয়েছে। গোটা বিশ্বের এ ধারা অনুসরন করে ভারতেও সম্প্রতি টেকসই উপায়ে জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে শক্তি উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে। মূলত প্রাথমিকভাবে ইলেক্ট্রিক ও হাইড্রোজেন এই দুটি বিকল্পকে কেন্দ্র করেই জ্বালানী উৎপাদন করতে চাইছে ভারত। তবে ইলেক্ট্রিক যানবাহনগুলো অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বকে কার্বনমুক্ত করার লক্ষ্যপূরণে বেশ ঘনিষ্ঠভাবে সহায়ক। অন্যদিকে হাইড্রোজেন জ্বালানী নিয়ে এখনো বিভ্রান্তি রয়ে গিয়েছে। তবে হাইড্রোজেন জ্বালানীগুলো কিভাবে টেকসই লক্ষ্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানীর ভবিষ্যত রক্ষা করতে সক্ষম সে বিষয়ে কিছু ধারণা দেয়া হলো। শক্তিশালী জ্বালানী একটি জ্বালানী উৎসের শক্তি, দক্ষতা পরিমাপ করা হয় মধ্যাকর্ষন শক্তি ঘনত্বের (গ্রাভিমেট্রিক এনার্জি ডেনসিটি) মাধ্যমে। যেমন-ডিজেলের গ্রাভিমেট্রিক এনার্জি ডেনসিটি ৪৫এমজে/কেজি, প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রে যা ৫৫এমজে/কেজি। এসব জ্বালানীর তুলনায় হাইড্রোজেন সেলের গ্রাভিমেট্রিক এনার্জি ডেনসিটি তিনগুন বেশি (১২০এমজে/কেজির কাছাকাছি)। ফলে দেখা যায় প্রতি পাউন্ড ফুয়েলে তুলনামূলক অনেক বেশি শক্তি উৎপাদন করতে পারে হাইড্রোজেন। ভালো উপজাত একটি পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যত গড়ে তোলার লক্ষ্যে নেয়া প্রতিটি পদক্ষেপেই দূষণ হ্রাস পায়। পাশাপাশি জ্বালানী উৎপাদনের উপজাতগুলো নিয়ন্ত্রন করা মূল এজেন্ডার মধ্যে একটি। তেল ও তাপ হাইড্রোজেন উৎপাদনের একমাত্র উপজাত হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার কারণে এটি সেরা বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হয়। বর্তমানে এই ধারনাটিকে একটি কার্যকরী প্রযুক্তিতে রূপান্তরিত করেছে ন্যাশনাল অ্যারোনাটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনেস্ট্রেশন। প্রতিষ্ঠানটি হাইড্রোজেনকে একটি জ্বালানী উৎস হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। যে কোন জায়গায় পাওয়া যায় বিশ্বে হাইড্রোজেনই একমাত্র উপাদান যা বিশ্বে রেডি অবস্থায় পাওয়া যায়। এটি জ্বালানীর নিখুঁত উৎস যা বিশ্বকে কার্বন মুক্ত করার চমৎকার সহায়ক হবে। বিতরন ও গণতন্ত্রীকরন বর্তমানে জ্বালানী চাহিদা পূরণের জন্য পুরো বিশ্বই ওপেকভুক্ত (অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিস) দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল। এখন হাইড্রোজেন জ্বালানী সেলগুলো যদি আধিপত্যশীল জ্বালানী উৎস হিসেবে অগ্রাধিকার পায় তাহলে বৈশ্বিক অনেক সম্পর্কই উপকৃত হবে এবং ওপেকের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। ইন্টারনেট/আরএপি