অস্থায়ী হাসপাতালসহ সব আয়োজন থাকছে পদ্মা সেতু উদ্বোধনে

title
এক দিন আগে
২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতুর মুন্সীগঞ্জ প্রান্তে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন ও সুধিসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার পর মাদারীপুর প্রান্তেও একটি ফলক উন্মোচন করবেন এবং সেখানে নেতাকর্মীদের সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।মাদারীপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে দক্ষিণ অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। সভাস্থলে ৫০০ অস্থায়ী শৌচাগার, ভিআইপিদের জন্য আরও ২২টি শৌচাগার, সুপেয় পানির লাইন, তিনটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল, নারীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা, প্রায় দুই বর্গকিলোমিটার আয়তনের সভাস্থলে দূরের দর্শনার্থীদের জন্য ২৬টি এলইডি মনিটর, ৫০০ মাইকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।“নদীপথে আসা মানুষের জন্য ২০টি পন্টুন তৈরি করা হচ্ছে। মোবাইল অপারেটরগুলো তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভ্রাম্যমান মোবাইল টাওয়ার নির্মাণ করছে।”জনসভার মঞ্চ তৈরির কাজ করছে ক্যানভাস বাংলাদেশ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট।প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নকর্মী কবির হোসেন বলেন, “পদ্মা সেতুর আদলে মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। কয়েক দিন ধরে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি। মঞ্চের সামনে পানি থাকবে। তার ওপর ছোট-বড় বেশ কয়েকটি নৌকা ভাসতে থাকবে। পুরো কাজ প্রায় শেষ। এখন চলছে সাজসজ্জার কাজ।” জনসভাস্থলের দুই বর্গকিলোমিটার জায়গা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পেয়েছে পিয়ারু সরদার অ্যান্ড সন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান।প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মোজ্জামেল হক বলেন, সভাস্থলে ওয়াচ টাওয়ার, এলইডি মনিটরসহ নিরাপত্তাবিষয়ক সব ধরনের কাজ তারা শেষ করেছেন।“স্মরণকালের সেরা আয়োজন হবে এখানে। জনসভায় আসা অতিথিদের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। সব কাজের ৯০ শতাংশ শেষ। বাকি ১০ শতাংশ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়ে যাবে।”ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও কাজ করবেন ওই দিন।ফায়ার সার্ভিসের ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সভাস্থল ও নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের ১০০ থেকে ১২০ জন সদস্য কাজ করবেন।“বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আশা করছি কোনো সমস্যা হবে না।”তাৎক্ষণিকভাবে কেউ অসুস্থ হলে সে জন্য থাকছে চিকিৎসার ব্যবস্থা।মাদারীপুরের সিভিল সার্জন মুনীর আহমেদ খান বলেন, জনসভায় আগতদের চিকিৎসার জন‌্য ২১০ জন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী প্রস্তুত থাকবেন। একটি ২০ শয‌্যা ও দুটি ১০ শয‌্যার অস্থায়ী হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে ইতোমধ্যেই।‘নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব‌্যবস্থ‌া গ্রহণ করা হয়েছে’ বলে জানিয়েছেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল।