ইরানে দুদিনের বন্যায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও ১৯ জন

title
১৭ দিন আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানে দুদিনের বন্যায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন  আরও ১৯ জন। গতকাল রেড ক্রিসেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পশ্চিমে এমামজাদেহ দাউদ গ্রাম ও তেহরানের পূর্বে ফিরোজকাউহ, রৌদেহেন এবং দামাভান্দ অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার কারণে ২৪ জনের মৃত্যু হয়। নিখোঁজ ১৯ জনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।’ এক সপ্তাহ আগেই ইরানের দক্ষিণের শহরে আকস্মিক বন্যায় ২২ জনের মৃত্যু হয়। শুষ্ক ইরানে গত এক দশকে বারবার খরার শিকার হলেও প্রবল বৃষ্টিপাতের পর নিয়মিত বন্যাও হয়েছে। তেহরানের গভর্নর মোহসেন মনসুরি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানান, পাহাড়ি ভূমিধসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আলবোর্জ, ইসফাহান, মারকাজি, তেহরান ও ইয়াজদ। দুই দিনের প্রবল বর্ষণে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। আকস্মিক এই বন্যায় দেশটিতে সাত জন প্রবাসী নিহত হয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক ভিডিওবার্তায় জানায়, সাত জন এশীয় প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। আরও যারা আটকা পড়েছেন তাদেরকে উদ্ধারে অভিযান চলছে। আমিরাতের আবহাওয়া দপ্তর জানায়, ২৮ জুলাই থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হয়েছে টানা বর্ষণ। আমিরাতের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় তিন প্রশাসনিক অঞ্চল শারজাহ, রাস আল খাইমাহ ও ফুজাইরায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত দুই দিনের দুর্যোগে এই তিন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।তবে, দেশটির বিভিন্ন শহর বন্যার কবলে পড়লেও দুবাই ও রাজধানী আবুধাবিতে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম বলে জানা গেছে। বন্যাদুর্গত এলাকার লোকজনকে আশ্রয় ‍দিতে শারজাহ, রাস আল খাইমাহ ও ফুজাইরায় ২০টি হোটেল প্রস্তুত করা হয়েছে। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে একাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রেখেছে আমিরাতের সরকার। আমিরাতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বৃষ্ট ও বন্যার বিভিন্ন ভিডিও ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বন্যার পানিতে গাড়ি ভেসে যাচ্ছে। রাস্তাঘাটেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।