চুল কাটতে গিয়ে বিনামূল্যে বই পড়ছেন মানুষ

title
১৬ দিন আগে
সেলুনে চুল কাটতে গিয়ে দীর্ঘ সময়, আর এই সময়ে বই পড়ে কাটিয়ে দিলে কেমন হয়? এমন ভাবনা থেকে গাইবান্ধা সাদুল্যাপুরের যুবক বেলাল হোসেন তৈরি করেছেন সেলুন পাঠাগার। ইতোমধ্যে নিজের এলাকায় কয়েকটি সেলুনে তৈরি করেছেন লাইব্রেরী। যেখানে চুল কাটতে গিয়ে বিনামূল্যে বই পড়ছেন মানুষ। সাড়া ফেলেছে তার ব্যাতিক্রমী এ উদ্যোগ। এলাকায় তিনি বই প্রেমিক নামেই বেশী পরিচিত। কাঁচি হাতে চুল কাটতে ব্যস্ত নাপিত। আর চুল কাটতে এসে অপেক্ষমান ও অলস বসে না থেকে অনেকেই পড়ছেন বই। এমন চিত্র দেখা যাবে সাদুল্যাপুরের রসুলপুর গ্রামে। এই গ্রামের সাতটি সেলুনে রয়েছে বই পড়ার সুযোগ। আর এ উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় যুবক বেলাল হোসেন। দীর্ঘ সাত বছর ধরে নিজ বাড়ির উঠনে গড়েছেন তুলেছেন সুলতানা রেজিয়া পাঠাগার। যেখানে সব বয়সী মানুষের জন্য রয়েছে কয়েক হাজার বই। বাড়ির এই পাঠাগার কার্যক্রম ছড়িয়ে দিয়েছেন গ্রামের বিভিন্ন সেলুনে। ২০২০ সালে ৫০টি বই দিয়ে শুরু করে বর্তমানে ৫টি সেলুন পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। পাশাপাশি বিনামূল্যে বইও দেন শিক্ষার্থীদের। প্রতিদিন সকালে সাইকেল যোগে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে বিনামূল্য বই বিতরণ করেন বেলাল। দীর্ঘ সাত বছর থেকে এই কাজ করছেন। বই পেয়ে খুশি এলাকার শিক্ষার্থীরাও। খুব কম সময়ে এলাকায় বই প্রেমিক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। তার ব্যাতিক্রমী এ উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রা। এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে, সব রকম সহযোগীতার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। বইয়ের পড়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতে জেলা জুড়ে সেলুন পাঠাগার ছড়িয়ে দেয়ার কথা জানান, বইপ্রেমী বেলাল হোসেন।