মানবপাচার রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

title
১৬ দিন আগে
নারী ও শিশু পাচার রোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে। আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, দূতাবাস ও মিশনগুলোকে পাচার রোধে সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবসের আলোচনায় এসব কথা বলেন তারা। রুমা, সীমা ও মারিয়ার মতো অসংখ্য নারী ও শিশু প্রতিবছর পাচারের শিকার হয়। (একটি বেসরকারী সংস্থার হিসেবে ৩০ বছরে ১০ লাখের বেশি নারী ও শিশুকে পাচার হয়েছে দেশ থেকে । প্রতি মাসে প্রায় ৪০০ নারী ও শিশু পাচার হচ্ছে । আর ১০ বছরে ৩ লাখ শিশু এবং ১২ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীকে ভারতে পাচার করা হয়। ) তবে ১০ বছরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারত থেকে দেশে ফিরেছে প্রায় দুই হাজার নারী। (পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, ২০১২ সালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনেই সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে গত ১০ বছরে নিষ্পত্তি হয়েছে ৭২৮টি মামলা। সাজা হয়েছে ২ শতাংশেরও কম।) এমন বাস্তবতায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবসের আলোচনায় অংশ নেয় সরকারের নীতিনির্ধারকরা। পাচার রোধে জিরো টলারেন্সের কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাচারের যে কোন ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে দূতাবাস ও মিশনগুলোকে। পাচার রোধে তথ্যপ্রযুক্তির হস্তান্তর এবং ইন্টারনেটের অপব্যবহার বন্ধের তাগিদ দেন বিভিন্ন দুতাবাসের কর্মকর্তারা, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা।