সিরাজগঞ্জ ও নাটোরে চাহিদার দ্বিগুণ কোরবানীর পশু পালন

title
২ মাস আগে
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ ও নাটোরে চাহিদার প্রায় দ্বিগুণ পশু লালন-পালন করা হয়েছে। কোরবানীর পশুর চাহিদা বাড়লেও কাংখিত মূল্য পাওয়া নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন খামারীরা। তবে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারত থেকে গরু আমদানী বন্ধ থাকায় খামারীরা ন্যায্যমূল্য পাবে। নাটোর জেলায় এবছর কোরবানীর পশুর চাহিদা প্রায় সোয়া দুই লাখ। জেলার চাহিদা পুরণ করার পরও সোয়া এক লাখপশু দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হবে। খামারীরা জানান, কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে তিনি ২ শতাধীক গরু মহিষ লালন পালন করেছেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এই পশুগুলো ক্রয় করে লালন পালন করে কোরবানীর জন্য তৈরী করেন। আসন্ন কোরবানী ঈকে সামনে রেখে জেলায় সাড়ে ৩ লাখ পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। যার বর্তমান বাজার মুল্য ৯শ কোটি টাকা বলে জানায়, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের এই কর্মকর্তা। এদিকে, সিরাজগঞ্জে এ বছর কোরবানীর জন্য দুটি ষাড় লালন পালন করেছে লাবনী ডেইরী ফার্ম। নাম দিয়েছেন রাজা এবং বাদশা। রাজার ওজন প্রায় ৩৫ মণ, দাম আশা করছেন ১৮ লাখ এবং বাদশার ওজন প্রায় ৩০ মণ, দাম আশা করছেন ১৫ লাখ টাকা। গো খাদ্যের দাম লাগামহীন হওয়ায় লালন পালনে খরচ বাড়লেও কাঙ্খিত দামে বিক্রি নিয়ে সংশয় রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, পাশ্ববর্তি দেশ থেকে কোরবানীর পশু আমদানী বন্ধ থাকায় খামারী ও কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবে। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে উৎপাদিত সকল প্রকার গবাদি পশু যেন সুষ্ঠুভাবে বাজারজাতের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্য পান সেই ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন খামারীরা।