বিভিন্ন জেলায় নদ-নদীর পানি কমলেও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

title
৪ দিন আগে
কমতে শুরু করেছে যমুনা ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি। তবে, বিভিন্ন জেলায় পানি কমলেও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি হ্রাস পেয়ে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। তবে, ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি এখনও বিপৎসীমার ওপরে। গাইবান্ধায় অব্যাহত রয়েছে সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি। সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে বন্যাকবলিত ২৫০ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি এখনও বিপৎসীমার অনেক উপরে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। জেলার বন্যাপ্রবণ ৬ উপজেলার ৩৮ ইউনিয়নের ৮ হাজার ৪শ পরিবারের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইল অংশে যমুনা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার কমেছে। জেলার ৬ উপজেলার ১৮ ইউনিয়নের প্রায় ১১৪ গ্রাম এখনও প্লাবিত। গেল ২৪ ঘন্টায় জামালপুর বাহাদুরাবাদ ঘাটে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখানো পানিবন্দি প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। বগুড়ায় কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। সারিয়াকন্দিতে ২৪ ঘন্টায় ৯ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনার নদীর পানি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন করে বিজয়নগর উপজেলা বন্যা কবলিত হয়েছে। উপজেলার ৭ ইউনিয়নের ২০ গ্রামের ৬৮৭টি পরিবার বন্যাকবলিত হয়েছে।