স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনা সংক্রমণ ঠেকানো যাবে না: বিশেষজ্ঞদের মত

title
৫ দিন আগে
ছবি: সংগৃহীত কোভিড-১৯ এর জন্য দেশে সবচেয়ে বড় চিকিৎসা কেন্দ্র ডিএনসিসি হাসপাতাল। সপ্তাহখানেক আগেও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ১০ জনের মধ্যে। দেশে আবারও করোনা শনাক্তের হার বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালটিতে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। একদিনেই ভর্তি হয়েছেন আটজন। একই সংখ্যক রোগী করোনার সাথে লড়াই করছেন আইসিইউতে। ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একে এম শফিকুর রহমান বলেন, এখন কোভিডের যে পরিস্থিতি, বয়স্ক রোগীরা বেশি আসেন। কিংবা কোভিডের সঙ্গে যাদের ডায়াবেটিস, কিডনি, হাইপার টেনশন আছে— এমন রোগীরাই বেশি ভর্তি হচ্ছেন। বাকিরা বাসায় বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আইইডিসিআর এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এসএম আলমগীর বলেন, করোনায় যেদিন পৃথিবীতে একশ লোক মারা গেলো, সেদিন আমাদের খুব মন খারাপ হয়েছে। এখন ১৫-১৬ শ লোক মারা যাচ্ছে, আমরা বলছি, মৃত্যু কমছে। এখন দুই কোটির মতো মানুষ দশ দিনে আক্রান্ত হয়ে আছে, আমরা বলি করোনা চলে গেছে। করোনা কোথাও যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকানো যাবে না। তাদের মতে, টিকা নেয়া, মাস্ক পড়ায় কঠোর হতে হবে। পাশাপাশি এড়িয়ে চলতে হবে জনসমাগম। করোনা শনাক্ত প্রতিদিনই বাড়ছে। পরীক্ষার পরিধি না বাড়লেও শনাক্তের হার পনেরো ছুঁইছুঁই। করোনায় হেরে গিয়ে মৃত্যুর তালিকায় নতুন সংখ্যা যোগ হচ্ছে প্রতিদিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনচিত্রে স্বাস্থ্যবিধির প্রভাব না পড়লে মহামারী ঠেকানো যাবে না। তাই টিকা নেয়ার পাশাপাশি অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পালনের পরামর্শ তাদের। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছে ২৯ হাজারের বেশি মানুষ। যদিও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে পোষ্ট কোভিডসহ এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুন। /এমএন