পাল্টেছে গাজীপুর মহাসড়কের চিত্র; ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট নেই

title
২ মাস আগে
উত্তরবঙ্গের মানুষের রাজধানীতে ঢোকার অন্যতম প্রবেশদার জয়দেবপুর চৌরাস্তা। হঠাৎ করেই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে গাজীপুর এলাকার মহাসড়কে। চিরচেনা যানজট নেই বললেই চলে। জয়দেবপুর চৌরাস্তা মোড় পেরোতেই যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যেতো, সেখানে এখন খুব একটা অপেক্ষা করতে হয় না যাত্রীদের। সড়কের পাশের অবৈধ দোকানপাটও চোখে পড়ে না। বিষয়টি হঠাৎ দেখায় আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে নিয়মিত চলাচলকারীদের কাছে। ওই এলাকার এক বাসিন্দা বললেন, গত ৪০-৪২ বছরে এমন অবস্থা দেখি না। আরেক তরুণের দাবি, এমন অবস্থা যেন সবসময় থাকে। ঢাকা থেকে উত্তরে ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর , উত্তর-পশ্চিমের টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, নাটোর, রাজশাহীসহ অনেক জেলার নিয়মিত যাতায়াতকারীদের জন্য জয়দেবপুর ছিলো আতঙ্কের নাম। মাত্র কদিন আগেও উত্তরা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রাস্তা পেরোতেই লেগে যেতো কমপক্ষে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। ভোগান্তি পোহাতে হতো স্থানীয়দেরও। টানা ২ বছর ধরে সড়কের নানা উন্নয়ন, দুপাশের ভাসমান দোকান আর কয়েক হাজার ব্যাটারি চালিত অবৈধ ইজি বাইকের ছোটাছুটিতে নাজেহাল হতেন গাজিপুরবাসী। এসবের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনের শক্ত অবস্থানে কিছুটা স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ।গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, সবার মাথা ব্যথা তিন চাকার ব্যাটারি চালিত যান। শহরের রাস্তার পুরো অর্ধেক জুড়েই এসব যান থাকতো। কোনো শৃঙ্খলা মানতো না। প্রায় দেড় হাজারের মতো অটোবাইক আটক করেছি। জেলাকে মাদকমুক্ত করতে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন নতুন কমিশনার। তবে শুরুতে গাজীপুরকে যানজটমুক্ত করাই তার প্রধান লক্ষ্য। বললেন, এই সড়কের ওপর দিয়ে ৩৬টি জেলার গাড়ি চলাচল করে। এসব জেলার ৫০-৬০ হাজার গাড়ি চলাচল করে প্রতিদিন। প্রতিটি গাড়িরই এখানে গড়ে দুই ঘণ্টা সময় লাগতো, এখন লাগতেছে ৩০-৪০ মিনিট। আপাতত দিনের বেলা সড়কে স্বস্তি মিললেও রাতের গাজীপুরে দেখা যায় দীর্ঘ যানজট। রাতের বেলাও যানজটমুক্ত থাকুক তা চায় স্থানীয়রা। /এমএন