পদ্মাসেতু হলো, দেখে যেতে পারলেন না জামিলুর রেজা চৌধুরী

title
২ মাস আগে
পদ্মাসেতু আর অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নাম একসূত্রে গাঁথা। বিশ্ব ব্যাংক অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ায় এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে সবাই যখন সংশয়ে তখন সাহস করে কারিগরি নানা চ্যালেঞ্জ জেনেও এতে সম্পৃক্ত হন তিনি। আজ যখন উদ্বোধন হতে যাচ্ছে পদ্মা সেতু, তখন তিনি পরপারে। তবে তার অবদান কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন, স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিনে তিনি থাকলে খুব ভালো লাগতো তার। দশ বছর আগে অর্থায়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় বিশ্ব ব্যাংক, বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় সেতুর নির্মাণ। সাহস করে দেশীয় অর্থায়নে তা করার উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সিদ্ধান্তের সমালোচনা ছিল অনেক, ছিল শঙ্কা, অবিশ্বাস। কারিগরি চ্যালেঞ্জও ছিল অনেক। জীবদ্দশায় সেই গল্প শুনিয়েছিলেন জামিলুর রেজা চৌধুরী। বলেছিলেন, শক্তি আর সাহসের উৎসের কথাও। তার ভরসাতেই সে কাজে যুক্ত হন অন্যরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা আর বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রধানের কারিগরি জ্ঞান পুঁজি করে শুরু হয় টেন্ডার বাছাই থেকে বাকি সব কাজ। পরের গল্পটা বাস্তবায়নের। নদী শাসন থেকে পাইলিং, স্প্যান বসানো, হা্জারো চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হয়েছে প্রকৌশলীদের। কখনো কখনো মনে হয়েছে থমকে যাচ্ছে সব। তবে ঠান্ডা মাথায় সমাধান খুজেছেন প্রয়াত জামিলুর রেজা চৌধুরীর টিম। এতে ছিলেন ৫ বিদেশিসহ ১১ প্রকৌশলী। মহেন্দ্রক্ষণে তাই এই সেতুর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিনম্র কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তার কাছে। বলেছেন, আজ তিনি থাকলে খুব ভালো লাগতো তার। /এডব্লিউ