সম্রাট ফের কারাগারে

title
এক মাস আগে
বাংলাদেশ প্রতিবেদক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মোঃ আসিফুজ্জামানের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী তার জামিনের বিরোধীতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসাথে জামিন শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করেন আদালত।এরআগে সম্রাটের জামিন বাতিল করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রাখেন চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম। আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৩০ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।গত ১৮ মে দুদকের এ মামলায় সম্রাটের জামিন বাতিল করেন বিচারপতি মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। একইসাথে সাতদিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়।জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া জামিন বাতিল চেয়ে গত ১৬ মে হাইকোর্টে আবেদন করেছিল দুদক। এ মামলায় গত ১১ মে সম্রাটকে জামিন দিয়েছিলেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মোঃ আসিফুজ্জামানের আদালত।এ মামলায় জামিন পাওয়ার আগে তার বিরুদ্ধে করা আরো তিনটি মামলায় তিনি জামিন পান। চারটি মামলার সব ক’টিতেই জামিন পাওয়ায় গত ১১ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএসএমইউ) প্রিজন সেল থেকে মুক্তি পান সম্রাট।রমনা থানায় দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তিনি গত ১১ এপ্রিল জামিন পান। এর একদিন আগেই ১০ এপ্রিল অর্থপাচার ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের পৃথক মামলায় ঢাকার পৃথক আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।উল্লেখ্য, সারাদেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগি এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই বছরের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলায় দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে দুইশ’ ২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।