উত্তরাঞ্চলে জিংক চাল উৎপাদন ও বাণিজ্যিকীকরণের দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে

title
৪ দিন আগে
জয়নাল আবেদীন: উত্তরাঞ্চলে জিংক চাল উৎপাদন ও বাণিজ্যিকীকরণের দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে ।বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে জিংক ধানের বর্তমান অবস্থা, বাজার সম্প্রসারণ এবং জিংক চালের বাণিজ্যিকীকরণের পরিকল্পনা তুলে ধরে বক্তারা বলেন রংপুর জেলায় ২০২১-২২ বোরো মৌসুমে ১১হাজার ,৮শ ৮৪ হেক্টর জমি বায়োফর্টিফাইড জিংক ধান চাষের আওতায় এসেছে।উচ্চ ফলন, পরিবেশ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পুষ্টিগত সুবিধা থাকার কারণে, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা ব্যাপকভাবে বায়োফর্টিফাইড জিংক ধান ব্রিধান-৭৪ বেছে নিচ্ছে। এখন সময় এসেছে বায়োফর্টিফাইড জিংক চালকে বাংলাদেশ সরকারের সকল খাদ্য বান্ধব কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা যা বাণিজ্যিকীকরণের জন্য বিশাল বাজার তৈরি হবে ।বৃহস্পতিবার হারভেস্টপ্লাসের সহযোগিতায় আরডি আর এস বাংলাদেশ রংপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জিংক ধানের ভ্যালু চেইন অ্যাক্টরস মিটিং বিশেষঞ্জ বক্তারা এসব কথা বলেন । অনুষ্ঠানে রংপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ এমদাদ হোসেন শেখ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন । আরডিআরএস হেড অব এডমিন এন্ড জেনারেল সার্ভিস মো: নজরুল গণির সভাপতিত্বে বক্তব্য প্রদান করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো: রিয়াজুর রহমান রাজুসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ ।জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বলেন, প্রাথমিকভাবে এই বছর রংপুর জেলাকে জিংক ধান পাবলিক ক্রয় কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা একটি ভালো উদ্যোগ। ২০২১-২০২২ বোরো মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে ৯০০ মেট্রিক টন জিংক ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে তবে আমরা নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি কেনার জন্য প্রস্তুত। আগামীতে সব জেলা থেকে সরকারী সংগ্রহে জিংক ধান ও চাল অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে সরকারী ও বেসরকারী সেক্টর সবাই একসাথে আমরা কাজ করব। আশা করি আগামী বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকে সুপ্ত ক্ষুধা কমাতে জিংক চালের একটি বিশাল বাজার তৈরি করতে তারা আমাদের সাথে কাজ করবে।মোঃ রুহুল কুদ্দুস, হারভেস্টপ্লাস সিবিসি প্রোগ্রামের প্রকল্প কর্মকর্তা জিঙ্কের ঘাটতি মোকাবেলায় জিংক ধানের গুরুত্ব সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জিংক ধান উৎপাদনের হটস্পট এবং বায়োফর্টিফাইড জিংক ধানের বাণিজ্যিকীকরণের উপায় তুলে ধরেন।তিনি আরও বলেন যে কিছু মিলার এবং ফুড প্রসেসর ইতিমধ্যে তাদের নিজস্ব উদ্যোগে ব্র্যান্ডিং সহ জিংক চাল বাজারজাত করেছে এবং অধিক লাভজনক হওয়ায় তারা এই ব্যবসা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। তিনি অংশগ্রহণকারীদের সামনে বেসরকারি খাতের কিছু জিংক চালের ব্র্যান্ডিং প্যাকেট দেখান। অংশগ্রহণকারী অতিথিরা জিংক ধানের নতুন উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।