কাজী আনারকলির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত: রফিক সুলায়মান

title
১০ দিন আগে
রফিক সুলায়মান: মাঝে মাঝে আমাদের কূটনীতিকদের কাহিনী বাজারে বেশ মুখরোচক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে নারী কূটনীতিকদের ক্ষেত্রে এরকম রমরমা কাহিনী খুব বেশী নেই। ২০১২ সালে ফিলিপাইন থেকে এক নারী রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ ফিরিয়ে এনেছিলো ব্যাপক কেলেংকারির পর। সেই রাষ্ট্রদূত তাঁর গোটা ফ্যামিলিকে নিজের অধীনে চাকরি দিয়েছিলো।এবার আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত এক নারী কূটনীতিক। তিনি নিষিদ্ধ ড্রাগ মারিজুয়ানায় আসক্ত। সেইসাথে যৌনবিকৃতিতে আক্রান্ত। নিজের বাসায় এক নাইজেরিয়ান তরুণের সাথে রাত কাটান তিনি।ইন্দোনেশিয়ার আইনে এই দুটিই ঘোর অপরাধ। ড্রাগ আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান আছে ইন্দোনেশিয়ার আইনে।এই নারী কূটনীতিকের নাম কাজী আনারকলি। ইন্দোনেশিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে ২৪ ঘন্টা রিমান্ডে থাকার পর দেশত্যাগের মুচলেকা দিয়ে তিনি ছাড়া পান। গভীর সমস্যায় নিমজ্জিত সরকারের ভাবমূর্তি এই ঘটনায় যথেষ্ট নষ্ট হয়েছে। কারণ ইন্দোনেশিয়া এবং বাংলাদেশ দুটোই মুসলিম দেশ। কোন মুসলিম দেশের নারী কূটনীতিক এমন জঘন্য রুচির হতে পারে তা কল্পনাতীত। কাজী আনারকলি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও কূটনীতিক বেল্টে লজ্জিত করেছেন। এর আগে আমেরিকাও একবার তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছিল লস এঞ্জেলস থেকে।একজন পেশাদার কূটনীতিকের এমন ধৃষ্টতার চরম শাস্তি কাম্য।লেখক ঃ রফিক সুলায়মান (লেখক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট)