উল্লাপাড়ায় সরকারি খাল ভরাট করে মাঠ, বন্যার পানি ঢোকা ও বের হয়ে যাওয়ার মূল বাধা

title
৪ দিন আগে
সাহারুল হক সাচ্চু: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সরকারি বুড়ির বিল নালার এক অংশ ভরাট করে বানানো মাঠ ছয় মৌজার আবাদী মাঠে অবাধে পানি ঢোকা আর বের হওয়ার মূল বাধা হয়েছে ৷ উপজেলার তিনটি পূর্ণিমাগাঁতী , কয়ড়া ও সদর উল্লাপাড়া ইউনিয়নের পাশাপাশি অবস্থানের ছয়টি মৌজা হলো বাখুয়া , নাগরৌহা , পংরৌহা , ভদ্রকোল , ভেংড়ী ও চড়ুইমুড়ি ৷উপজেলার বিলসূর্য ( কচুয়া ) নদীর শাখা নালা কয়ড়া ইউনিয়নের বুড়ির বিল নালা হয়ে ছয় মৌজার পানি নিষ্কাশন হয়ে থাকে ৷ এ নালা হয়ে আদি কাল থেকেই বন্যার পানি অবাধে মাঠগুলোয় ঢুকেছে ৷ আবার বের হয়ে গেছে ৷ এছাড়াও প্রায় বাইশ বছর আগে ভেংড়ী মৌজায় কচুয়া নদী থেকে ব্যাক্তি উদ্যোগে প্রায় পাচশো ফুট দীর্ঘ একটি নালা খনন করা হয়েছিল ৷ ব্যবসায়িক স্বার্থে তিনি জমি ভাড়া নিয়ে নালাটি কেটেছিলেন ৷ সে সময় ভেংড়ী নালা ও বুড়ির বিল নালা হয়ে বন্যার পানি সহজে ঢোকা আর বের হতো ৷ প্রায় বছর তিনেক আগে ভেংড়ী নালাটি জমির মালিক ভরাট করে আবারো ফসলী জমি বানিয়েছেন ৷ আর এতে বুড়ির বিল নালা বন্যার পানি ঢোকা আর বের হওয়ার একমাত্র পথ ছিলো ৷গত প্রায় ২ বছর আগে কয়ড়া ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের কবরস্থানের পাশে বুড়ির বিল নালার এক অংশ মাটি ফেলে ভরাট করে বানানো হয়েছে মাঠ ৷ সেখানে আড়াআড়িভাবে মাটি ফেলে নালাটি ভরাট করা হয়েছে ৷ চরপাড়া গ্রামের কবরস্থান কমিটির পক্ষ থেকে নালাটি ভরাট করা হয়েছে বলে জানানো হয় ৷ প্রায় একশো ফুট চওড়া গভীর নালাটির এক পাশে উচু কয়েক ফুট জায়গা ভরাট বাদ রাখা হয়েছে ৷উপজেলার নাগরৌহা , বাখুয়া গ্রামের করিম মিয়া , ইয়াকুব আলী , গোলামসহ জনা দশেক কৃষকের বক্তব্যে ভেংড়ী নালা ও বুড়ির বিল নালা ভরাটে বর্ষাকালে বিভিন্ন পথে ও উপায়ে বন্যার পানি মাঠগুলোয় ঢুকলেও পরে সহজে তা আর বের হতে পারে না ৷ প্রায় ত্রিশ ফুট গভীর বুড়ির বিল নালা ভরাট করে এক পাশে বাদ রাখা হয়েছে ৷ বাদ রাখা জায়গার গভীরতা তিন থেকে পাচ ফুট বলে জানা গেছে ৷ এ জায়গা দিয়ে পানি বের হতে পারে না বলে এক ধরণের জলাবদ্ধ অবস্থা দেখা দেয় ৷গতকাল বুধবার ২২ জুন বিকেলে সেখানে গিয়ে দেখা গেছে এখন বন্যার পানি ভরাট বাদ রাখা ক্#৩৯;ফুট চওড়া জায়গা দিয়ে ঢুকছে ৷ ভরাট করে বানানো মাঠের বেশী জায়গা জেগে আছে ৷ চরপাড়া কবরস্থান কমিটির সভাপতি মোঃ মাহবুবুল ইসলাম প্রতিবেদককে বলেন বন্যার পানি কমলে তিনি পাইপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান ৷উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভুমি ) ইশরাত জাহান সরকারি বুড়ির বিল নালা ভরাট করার বিষয় জেনে ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকতাকে সরেজমিনে দেখে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয় জানিয়েছেন ৷ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও ) মোঃ উজ্জল হোসেন বলেন সরকারি নালা মাটি ফেলে ভরাট করা হলে তা কেটে সহজে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে ৷